২০০৩ সালের পর আর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা হয়নি বাংলাদেশের। এরপর অনুষ্ঠিত ৭টি আসরের মধ্যে একবার কেবল ফাইনাল খেলতে পেরেছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। সর্বশেষ ৬ বার তো সেমিফাইনালেই উঠতে পারেনি লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।
অধিনায়ক হিসেবে জামাল ভূঁইয়ার কাছে এ পরিসংখ্যানটা কষ্টেরই। কষ্ট অন্য ফুটবলারদেরও। তবে সবচেয়ে বেশি কষ্ট বাংলাদেশের সমর্থকদের, যারা এখনো লেগে আছে পেছনে হাঁটা ফুটবলের সঙ্গে। প্রতিনিয়ত আশায় বুক বাধছেন।
ফুটবলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় সেরা চারে নেই- এটা কি গ্রহণযোগ্য? কোনোভাবেই নয়। দেশের ফুটবলামোদীরা তো সাফের প্রতি আসরেই বাংলাদেশকে ফাইনালে দেখতে চায়; কিন্তু বাংলাদেশ তো গ্রুপ পর্বের হার্ডলসটাই টপকাতে পারছে না। ফুটবলপ্রেমীদের স্বপ্নটা উবে যায় কর্পুরের মতো।
২০০৩ সালে ঢাকায় জেতা ট্রফিটা বাংলাদেশ রেখে এসেছিল ২০০৫ সালে পাকিস্তানের করাচিতে ফাইনালে ভারতের কাছে ২-০ গোলে হেরে। তারপর দক্ষিণ এশিয়ার ট্রফিটি
কখনো ভারত, কখনো মালদ্বীপ আর কখনো আফগানিস্তানের অধিনায়কের হাতে উঠতে দেখেছেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা।
জামাল ভূ্ইঁয়া ডেনমার্ক থেকে বাপ-দাদার জন্মভূমিতে এসে লাল-সবুজ জার্সি পরেছেন। পেয়েছেন ১৬ কোটি মানুষের দলের অধিনায়ক হওয়ার গৌরব। নিঃসন্দেহে এ মুহূর্তে বাংলাদেশের ফুটবলের সেরা তারকাও তিনি।
তার স্বপ্নটা কি বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে? মনে মনে কি লুকিয়ে রাখছেন? ফেসবুক লাইভে এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি জয়ের কথাই বলেছেন।
‘আমার প্রধান টার্গেট সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি উঁচিয়ে ধরা। আর বিশ্বকাপ বাছাইয়ের যে ম্যাচগুলো আছে সেখান থেকে পয়েন্ট অর্জন করা। এ স্বপ্ন নিয়ে ফুটবল খেলবো যতদিন পারি’-বলছিলেন জামাল ভূ্ইঁয়া।














