নিহত আবরার

জিয়াউল হক, সিলেটঃ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে (২১) পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন শিক্ষার্থীরা।

দেশের সর্বত্র বইছে প্রতিবাদের ঝড়। এমন নেক্কারজনক ঘটনাকে মেনে নিতে পারছেননা শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ।

সোমবার (৭সেপ্টস্বর) বিকেলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে সাধারণ ছাত্র সমাজের উদ্যোগে বিকাল ৩ঘটিকায় মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শাবি গেইট হতে সুরমা গেইট ঘুরে আবারো প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়। মিছিল পরবর্তী এক সমাবেশে বক্তারা আবরার ফাহাদ হত্যায় জড়িতদের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

কুষ্টিয়ার ছেলে আবরার ফাহাদ, বাবা মায়ের বড় সন্তান। পড়তেন বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষে। থাকতেন শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর রুমে। সবশেষ শনিবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ৩২ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক নিয়ে স্ট্যাটাস দেন আরবার। পরদিন রোববার (৬ অক্টোবর) রাত আটটার দিকে ফাহাদকে ডেকে নেয়া হয় ২০১১ নম্বর কক্ষে। পরে

ভোররাতে হলের সিঁড়িতে পাওয়া যায় তার মরদেহ। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়াগেছে। পুলিশ জানায়, সিসি ক্যামেরার ছবি দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়েছে। ফেসবুকে ভারতবিরোধী স্ট্যাটাস দেয়ার কারণে এই হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করেছেন তার সহপাঠীরা। মৃত্যুর খবর শোনার পরে কান্নায় ভেঙে পড়েন আবরারের স্বজনরা। তারা বলছেন, আবরার কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলো না।