অনলাইন ডেস্কঃ
ভারতীয় তরুণীর স্ট্যাটাস :
যদিও আমি ভারতীয় তারপরও বাংলাদেশের প্রতি আমার আলাদা একটা টান রয়েছে।
কারণ আমার পূর্বপুরুষ বাংলাদেশেরই মানুষ ভালো থাকুক এটা আমি সবসময় চাই। শুনলাম ভারত-বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়ায় একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে হত্যা করা হয়েছে। স্ট্যাটাসটা আমি পড়লাম, নিজের দেশের স্বার্থ নিয়ে লিখার জন্য কিভাবে নিজের দেশেরই লোক একটা ছেলেকে এভাবে পিটিয়ে হত্যা করে ফেলে এটা আমার কাছে আশ্চর্য লাগছে।
সামান্য ফেসবুক স্টাটাসের কারণে মানুষ খুন করে ফেলা হচ্ছে বাংলাদেশে। কিভাবে এমন একটা দেশে মানুষ বাস করে!”

কুষ্টিয়ার ছেলে আবরার ফাহাদ, বাবা মায়ের বড় সন্তান। পড়তেন বুয়েটের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষে। থাকতেন শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর রুমে। শনিবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ৩২ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক নিয়ে স্ট্যাটাস দেন আরবার। পরদিন রোববার (৬ অক্টোবর) রাত আটটার দিকে ফাহাদকে ডেকে নেয়া হয় ২০১১ নম্বর কক্ষে। পরে

ভোররাতে হলের সিঁড়িতে পাওয়া যায় তার মরদেহ। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়াগেছে।
পুলিশ জানায়, সিসি ক্যামেরার ছবি দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়েছে। ফেসবুকে ভারতবিরোধী স্ট্যাটাস দেয়ার কারণে এই হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করেছেন তার সহপাঠীরা। মৃত্যুর খবর শোনার পরে কান্নায় ভেঙে পড়েন আবরারের স্বজনরা। তারা বলছেন, আবরার কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলো না। সর্বশেষ খবরে জানা যায়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে নয়জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।














