উইটনেস প্রতিনিধিঃঃ

গত রাত ১.৩০ ঘটিকার সময় রাতের আধাঁরে কয়েকজন লোক জালালাবাদ থানা ছাত্রদল নেতা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আব্দুস সালামের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় উনার বৃদ্ধা মা আহত এবং উনার স্ত্রী শারীরিকভাবে নির্যাতিত হোন বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য যে, গত ১০ জুন ২০২১ তারিখে নোয়াগাঁও গ্রামের মখলিছ মিয়ার মেয়ে মাসুমার ধর্ষিত লাশ পাওয়া যায়। উক্ত ধর্ষণের ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে ইন্জিনিয়ার আব্দুস সালামের সম্পৃক্ততা রয়েছে দাবি করে ১১ জুন ২০২১ তারিখে মাসুমার পিতা মখলিছ মিয়া বাদী হয়ে ১নং আসামী ছোওয়াব আলীর একমাত্র ছেলে ইন্জিনিয়ার আব্দুস সালাম(২৯), ২ নং আসামী মকবুল মিয়ার ছেলে ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন(৩০), ৩ নং আসামী লালু মিয়ার ছেলে ব্যাংক কর্মকর্তা জাকির হোসেন(২৯) এবং ৪র্থ আসামী মোক্তার মিয়ার ছেলে আবিদ হোসেন (২৮) কে আসামী করে জালালবাদ থানায় মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার প্রত্যেক আসামীই বর্তমানে পলাতক অবস্থায় আছেন বলে জানা যায়।
ধর্ষনের ঘটনার পরেই বিষয়টি রাজনৈতিক ভাবে এলাকায় ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ভয় ভীতি তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় গ্রামবাসীদের মুখ থেকে শোনা যায়।

উল্লেখ্য যে, ইন্জিনিয়ার আব্দুস সালাম ডিজাইন আর্টিস্টি নামক কনস্ট্রাকশন কোম্পানির স্থানীয় টুকের বাজার শাখায় কর্মরত অবস্থায় জালালাবাদ থানার বিভিন্ন এলাকায় বসত বাড়ী নির্মানের ক্ষেত্রে অনেক পরিচিত মুখ হিসাবে কাজ করে আসছিলেন।

গতরাতের হামলার বিষয়ে ইন্জিনিয়ার আব্দুস সালামের স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করা হলে, উনি বলেন “আমি এবং আমার বৃদ্ধা শাশুড়ি খুব বিপর্যস্ত এবং আতংকের মধ্যে আছি।গতরাতে আমাদের উপর যেভাবে হামলা চালানো হয়েছে সেটা বর্ণনার বাইরে, আমাদের পরিবারের কারো জীবনের কোনো নিরাপত্তা নাই, ভয় আর আতংকে আমরা কেউই এখন বাড়িতে অবস্থান করতে পারতেছিনা। আমার স্বামীকে মিথ্যা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামী সাজিয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি আলী বাহার কতিপয় গোন্ডাদের নিয়ে আমাদের উপর গতরাত হামলা চালিয়েছে এবং তার ভাই আলী আকবর সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করতেছে।

তিনি আরো বলেন, আমার স্বামীর সবচেয়ে বড় অপরাধ ছিল ইন্জিনিয়ার হিসাবে নিজ এলাকায় সফলতার সাথে কাজ করা এবং বিএনপি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা”।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জালালাবাদ থানা ছাত্রলীগ সভাপতি আলী বাহারের সাথে যোগাযোগ করা হলে, উনি সম্পূর্ণ ঘটনাকে নাটক বলে অবহিত করে বলেন, ধর্ষনের ঘটনাকে আড়াল করতেই মিথ্যা হামলার কাহিনী সাজানো হয়েছে।