সিলেট উইটনেস ডেস্কঃ দেশে করোনা সংক্রমন বিস্তার রোধে সরকারের নির্দেশে লকডাউন ঘোষনা করায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে ঘরে থাকা সাধারন মানুষ। ফলে নিম্ন আয়ের দিনমজুর শ্রমিক পরিবার গুলো সবচেয়ে বেশী খাদ্য সংকটে দেখা দিয়েছে। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সামর্থবান ব্যক্তিরাও দুঃস্থদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে।
দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর থেকে নিজ উদ্যোগে স্থানীয় সাধারন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী সহায়তা প্রদানসহ গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন ছাতক উপজেলার, সিলেট বিভাগের সাবেক শ্রেষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল।
প্রতিদিনই ছাতক উপজেলা ও পৌর শহরে কর্মহীন ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে বাঁধাকপি, বেগুন, পুইঁশাক, মুলা, ডাটা, লাল শাকসহ বিভিন্ন জাতের শাক-সবজি বিতরণ করে যাচ্ছেন তিনি। ট্রাকে করে বাসা-বাড়ি, বিভিন্ন পয়েন্ট কিংবা ঘরে ঘরে এইসব সহায়তা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি লোকজনকে করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে সাবান, পাউডার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন নিজ ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে সংকট কাটিয়ে উঠা পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
কৃষক দরদি উপজেলা চেয়ারম্যান ভুলে যাননি কৃষকদের কথা। মাঠে বোরো ফসল ঘরে তুলাসহ কৃষিতে সার্বিক দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
তিনি তার ফেইসবুকের এক স্ট্যাটাসে লিখেন,
“করোনাভাইরাস, রমজান মাস ও বৈশাখ মাস৷ সমগ্র বাংলাদেশ একটি ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে চলছে৷
বিশেষত আমাদের সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের মানুষ বৈশাখী ফসলের ওপর অনেক কৃষকই নির্ভরশীল৷ নির্ভরশীল তাঁর সমস্ত পরিবার৷
আর এই বৈশাখেই মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, ঝড়-বৃষ্টি, তুফান-বজ্রপাত এমনকি অকাল বন্যারও সমূহ আশঙ্কা বিদ্যমান৷ অন্তত কৃষক ও তাঁর ওপর নির্ভরশীল পরিবারের কথা মাথায় রেখে হলেও শ্রমিক সংকট মোকাবেলায় নির্বিঘ্নে নিরাপদে বোরো ফসল আগাম ভাবে ঘরে তোলার জন্য সকল সহযোগিতার হাত বাড়ানো উচিত। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে।
শুধু বাংলাদেশ নয় সমগ্র বিশ্বেই কিন্তু খাদ্যসংকটের আশঙ্কার আভাস আছে। এ কথা আর কথার কথা নয় যে শেষ পর্যন্ত, “কৃষক বাঁচলে, দেশ বাঁচবে।”
বিনীতঃ
আপনাদের
অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল৷
(মনেপ্রাণে একজন কৃষক)














