জিয়াউল হক জিয়াঃ সিলেট সদর উপজেলায় জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
গোল্ডকাপ ফুটবল (বালক অনূর্ধ্ব-১৭) টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে খাদিমনগর ইউনিয়ন একাদশ।
আজ শুক্রবার বিকেলে উপজেলার শাহী ঈদগাহস্থ শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।
বিগত আসরে চ্যাম্পিয়ান ছিল খাদিমপাড়া আর রানার্সআপ টুকেরবাজার। এবারে নতুন চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপ পেলো সদর উপজেলা।
খেলা শেষে খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কার্যালের স্থানীয় সরকার বিভাগ উপ-পরিচালক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান,
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন্ত ব্যানার্জি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাজী মহুয়া মমতাজ (উপজেলা নির্বাহী অফিসার), অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ওলিউর রহমান।
উপজেলা প্রশাসন এবং সদর উপজেলা ক্রিড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় টুর্ণামেন্টটি সমাপ্ত হয়েছে।
বিকাল ৩ঘটিকায় শুরু হওয়া ফাইনাল ম্যাচের শুরতেই খাদিমনগর ও হাটখোলা আক্রমনাত্মক হয়ে উঠে।
তার ফল ও পেয়ে যায় দুই দল। খেলার ৭মিনিটে পেনাল্টি থেকে প্রথমে গোল পায় হাটখোলা,
তার ৩মিনিট পর আবারো পেনাল্টি তবে এবার খাদিম নগরের পক্ষে।
১-১সমতা দাঁড়ায় ম্যাচে। ম্যাচের ১৭মিনিটে আবারো পেনাল্টি পেয়ে গোল করে এগিয়ে যায় খাদিমপাড়া। ম্যাচের ফলাফল দাঁড়ায় ২-১।
প্রথমার্ধ শেষের দিকে ঝটলার মধ্যে রুহুল গোল করলে আবারো সমতায় ফেরে হাটখোলা। সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে দেখেশুনেই খেলতে থাকে দুই দল। আক্রমন পাল্টা আক্রমনে দর্শকদের উত্তেজনাও ছিল চরমে।
দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে অনেকটা একক প্রচেষ্টায় খাদিম নগরের হয়ে গোল করে এনাম এগিয়ে যায় তারা।
খেলার শেষ মিনিটে উপর্যুপরি দু’টি কর্ণার পেয়েও সমতায় ফেরতে পারেনি হাটখোলা।
শেষপর্যন্ত ৩-২ গোলে প্রথমবারের মত চ্যাম্পিয়ন হয় খাদিম নগর।পেনাল্টি থেকে গোল করে আবু মাসুম ২টি এবং শাহজাহান ১টি।
টুর্ণামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয় হাটখোলা ইউনিয়ন একাদশের শাহজাহান, তার ঝুলিতে ৩টি গোল রয়েছে।
সর্বোচ্চ ৫টি গোল করে গোলদাতার ট্রফি লাভ করে খাদিম নগরের আবু মাসুম। ফাইনালে ম্যাচ সেরা হয় খাদিম নগরের এনাম।
খেলাটি পরিচালনা করেন রেফারি আব্দুল বাসিত, সাদিয়া রহমান, তাওহীদ আহমদ ও গুলজার আহমদ।
খেলার ধারাবর্ণনা করেন জিয়াউল হক জিয়া ও রেজাউল হক মামুন।













