সিলেটউইটনেস ডেস্কঃ ছাতকে করোনা পরিস্থিতির দূর্যোগ সময়েও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিচার সালিশে গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাওঁ ইউপি চেয়ারম্যান আখলাকুর রহমান ও সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক আব্দুল গফফার পক্ষদ্বয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে পথচারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত অর্ধশত লোক আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার দুপুরে উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাওঁ ইউনিয়নের তকিপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত আরশ আলী ও মোস্তাকিম রায়হানকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং মজমিল আলী, রাসেল ওয়াহিদ, মনসুর আলী, রাশিদ আলী, সায়েদ, ওয়াতির আলী ও সমুজ আলীকে কৈতক হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।তাৎক্ষনিক ভাবে অন্যান্য আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতি নিয়ে আব্দুল গফফার ও ইউপি চেয়ারম্যান এর মধ্যে বিভেদ চলে আসছে। এর জের ধরে আব্দুল গফফার পক্ষের লিটন মিয়া ও চেয়ারম্যান পক্ষের মাফিজ আলী মাস্টারের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এব্যাপারে সালিশ বৈঠক ডাকেন ইউপি চেয়ারম্যান আখলাকুর রহমান। সালিশ চলাকালেই দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উভয় পক্ষের লোকজন।
এব্যাপারে আব্দুল গফফার জানান, বিগত ইউপি নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করায় তখন থেকেই চেয়ারম্যান তাকে নানাভাবে ঘায়েল করার চেষ্টা করছে। এরই জের ধরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে লকডাউন ভেঙ্গে মারামারির উদ্দেশ্যে পুর্বপরিকল্পিত ভাবে বিচার সালিশের ডাক দেন ইউপি চেয়ারম্যান।সেখানেই তার বাড়ি থেকে অস্ত্র বের করে তাদের উপর হামলা চালানো হয়।
একপর্যায়ে সংঘর্ষ গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে এসে গড়ায়,পরবর্তীতে ছাতক থানার পুলিশের হস্তক্ষেপে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে।














