স্পোর্টস ডেস্কঃ
প্রথম আট ম্যাচে মাত্র তিনজয় পেয়েছিল বারবাডোজ ট্রাইডেন্টস। আসর থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল। সেই বারবাডোজ শেষ পর্যন্ত ২৭ রানে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতেছে। ২০১৪ সালের পর এটি তাদের প্রথম শিরোপা।
বারবাডোজে খেলা বাংলাদেশি তারকা সাকিব আল হাসানেরও এটি ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে উচিয়ে ধরা দ্বিতীয় শিরোপা। তবে লিগে দুর্দান্ত খেলা গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের জন্য শেষটা হয়ে থাকল হতাশার।
এর আগে সাকিব টি-২০ ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগ আইপিএল, বিপিএলের শিরোপা জিতেছেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টের পর ত্রিদেশীয় টি-২০ সিরিজ থাকায় সাকিব শুরু থেকে সিপিএলে খেলতে পারেননি। যখন দলে যোগ দিয়েছেন, তখন বিদায়ের শঙ্কায় পড়ে যায় বারবাডোজ ট্রাইডেন্টস। কিন্তু সাকিব দলে যোগ দিতেই যেন প্রাণ পায় জেসন হোল্ডাররা। সাকিবে ভর করে ম্যাচ জিততে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত ফাইনালে উঠে যায়। তবে ফাইনালে সাকিব বড় অবদান না রাখলেও জয় আটকায়নি দলের।
শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ১৭১ রানের সংগ্রহ পায় সাকিবের দল বারবাডোজ। দুই ওপেনার জনসন চার্লস এবং অ্যালেক্স হেলস ভালো ব্যাটিং করেন। দু’জনে যোগ করেন ৪৩ রান। চার্লস ২২ বলে ৩৯ এবং হেলস ২৪ বলে ২৮ করে আউট হন। কিন্তু পরের চার ব্যাটসম্যান রান পাননি। তিনে নামা ফিলিপ সল্ট করেন শূন্য রান। শাই হোপ ফেরেন ৮ রানে। এরপর সাকিব ব্যাট করতে নেমে ১৫ বলে ১৫ রান করে আউট হন। জেসন হোল্ডার আউট হন ১ রান করে। দারুণ শুরুর পরও ১০৬ রানে ৬ উইকেট হারায় বারবাডোজ।
পরে জোনাথন কার্টার এবং আসলে নার্স ৬৩ রান যোগ করেন। কার্টার ২৭ বলে চারটি চার ও চারটি ছক্কায় ৫০ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। নার্সের ব্যাট থেকে আসে ১৫ বলে ১৯ রান। বড় রান তাড়া করতে নেমে ৯ উইকেটে ১৪৪ রান করে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স। হারে ২৭ রানে।
অথচ ফাইনালের আগে টানা ১১ ম্যাচে জিতে ফাইনালে আসে তারা। গায়ানার হয়ে ওপেনার ব্রেন্ডন কিং ৪৩ রান করেন। নিকোলাস পুরান ২৪, কেমো পল ২৫ এবং রুদারফোর্ড করেন ১৫ রান। সাকিব দুই ওভারে ১৮ রান দিয়ে উইকেট শূন্য থাকেন। তবে তাতে দলের জয় আটকায়নি। রেমন রেইফার ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে একাই ধসিয়ে দেন গায়ানাকে।














