নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামিকাল সিলেট সদর উপজেলার সম্মেলন আর নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ নিয়ে ব্যস্ত জেলা আওয়ামী লীগ। সিলেট জেলার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ উপজেলার সম্মেলন নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই। একইসাথে যোগ্য, সক্রিয় আর প্রভাবশালী অনেক নেতা শীর্ষ পদ দুটির জন্য প্রার্থী হওয়ায় নেতৃত্ব নির্ধারণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন জেলার নেতারা।

সিলেটের অন্যান্য উপজেলার মতো ১০ বছর চলে গেলেও সদরে আসেনি কোনো নতুন নেতৃত্ব। সিলেট শহরের পার্শ্ববর্তী উপজেলা হওয়ার কারনে জেলার রাজনীতির সাথে অনেকটা মিল রেখেই এখানকার রাজনীতির গতিবিধি নির্ধারিত করা হয়। এ উপজেলায় বর্তমানে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের প্রভাব বিস্তৃত হলেও গ্রুপিং দ্বন্দ্ব রয়েছে। মূলত জেলা পর্যায়ের দুই নেতার নেতৃত্বে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

উপজেলার খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন খোলামাঠে বিকাল ৩টায় হবে সম্মেলন। সম্মেলনে সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এছাড়াও কেন্দ্র এবং জেলার নেতারাও উপস্থিত থাকবেন সম্মেলনে।

সম্মেলনকে ঘিরে উৎসাহ আর আগ্রহের পাশাপাশি রয়েছে উৎকন্ঠা। ইতোমধ্যে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই বলয়ের নেতারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে মাঠে সক্রিয় রেখেছেন। এই সম্মেলনে দলের মূল দু’টি পদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ইতিমধ্যে প্রায় হাফডজন নেতা প্রার্থিতার জানান দিয়ে রেখেছেন।

হাফডজন প্রার্থীদের মধ্যে কে এগিয়ে রয়েছেন তা জানা না গেলেও সবাই ব্যস্ত সময় পার করছেন আগামীকালের সম্মেলন কে ঘিরে। সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন সিলেট জেলা পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য ও ইস্ট লন্ডন আওয়ামিলীগের জয়েন্ট সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহানুর। এ ব্যাপারে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সিলেট উইটনেস কে বলেন সবাই সহযোগিতা করলে একটি সুন্দর সম্মেলন হবে বলে আমি আশাবাদী। অবশ্যই কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে সদর উপজেলার নেতাকর্মীদের বহুদিনের আকাঙ্ক্ষার অবসান ঘটবে বলেও জানান।