সিলেটউইটনেস ডেস্কঃ বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন, আজ ১লা বৈশাখ। শুভ নববর্ষ ১৪২৭। বাঙালির সেই চিরচেনা বাঙালিয়ানার রুপ, উৎসবের আমেজ, রমনার বটমূলের সুর মুর্ছনা, সবই মলিন করে দিয়েছে বৈশ্বিক প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস। বিশ্ব এখন ঘর বন্দী। বাংলাদেশ সেই ভাইরাস প্রতিরোধে পার করছে তৃতীয় স্টেজ। গৃহবন্দী মানুষ চলছে লক ডাউন। অতন্দ্র প্রহরী হয়ে নির্ঘুম মাঠে রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশসহ জনপ্রশাসন। আর এমন দিনে বিশেষ কিছু করলেন সিলেট জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অকিল উদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (১৪এপ্রিল) একবেলা রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা করলেন ওসি জালালাবাদ। থানার অধীনস্হ বিভিন্ন পয়েন্টে বিতরণ করেন খেটে খাওয়া, কিংবা ছিন্নমূল মানুষের মাঝে। পাশাপাশি থানায় সবার মাঝে পরিবেশন করেন। পাঠানটুলা, মদিনা মার্কেট, তেমুখি বাইপাস, টুকেরবাজার, বাদাঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ঘুরে ঘুরে এসব খাবার বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ পিপিএম, এসি জালালাবাদ থানা মতিয়ার রহমান, ওসি জালালাবাদ থানা অকিল উদ্দিন আহম্মদ, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শাহ আলম সহ থানার অফিসার ফোর্স।
নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে ওসি অকিল উদ্দিন আহম্মেদ জানান,
“আজ ১ লা বৈশাখ। বাংগালীর উৎসবের দিন। কিন্তু মহামারী করোনা বাংগালীর মুখের হাসি, আনন্দ উৎসব সব কেড়ে নিয়েছে। ভাবলাম খেটে খাওয়া মানুষ গুলোকে আজকের দিনে অন্তত একবেলা খাবার দিয়ে পাশে দাঁড়াই। তাই আজ কিছু রান্না করা খাবার দিলাম এবং থানার সকল সদস্য একই খাবার নিজেরাও খেলাম।”
পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ। আগের যে কোন সময়ের চেয়ে বাংলাদেশ পুলিশ এখন জনগণের দোরগোড়ায়। ছোট্ট সেই ছেলেটি যে কিনা হাত কাঁপাতে কাঁপাতে খাবার নিয়ে যাবার সময় উল্লোসিত হয়ে বলেছিল, “পুলিশ আমারে বিরিয়ানি দিছে, পুলিশ আমারে বিরিয়ানি দিছে”।













