বাংলাদেশ জয়ের পথেই ছিল। তারপরও কিছুটা ঝুঁকি তো ছিলই। হাতে যে পর্যাপ্ত উইকেট ছিল না। তার ওপর প্রতিপক্ষ ভারত। যাদের বিপক্ষে এশিয়া কাপের ফাইনালেও মাত্র ৫ রানের জন্য স্বপ্নপূরণ হয়নি।
এবার যেন সব কিছুই বাংলাদেশের পক্ষে ছিল। টস থেকে শুরু করে বৃষ্টি পর্যন্ত। বৃষ্টির কারণে হঠাৎ খেলা বন্ধ হয়ে যায় যখন, বাংলাদেশের যুবাদের বিশ্বকাপ জয়ের জন্য দরকার ১৫ রান। হাতে সেই ৩ উইকেট।
টাইগার ভক্তদের মনে উৎকণ্ঠা ছিল তবু। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার পর যদিও ডিএল মেথডে বাংলাদেশই এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়বার যখন খেলা শুরু হলো, কি হয় না হয়, শঙ্কা ছিল।
তবে বৃষ্টি স্বপ্ন পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালো না। বরং আশীর্বাদই হলো। খেলা বন্ধ হওয়ার আগে দরকার ছিল ৫৪ বলে ১৫ রান। সেটা দ্বিতীয়বার খেলা শুরু হওয়ার পর হয়ে গেল ৩০ বলে মাত্র ৭ রান। নতুন লক্ষ্য বেঁধে দেয়া হলো ১৭০ রানের।
ওই ৭ রান নিতে ৭ বলের বেশি লাগলো না বাংলাদেশের। দলের ভরসা হয়ে থাকা অধিনায়ক আকবর আলি ভারতীয় পেসার সুশান্ত মিশ্রর প্রথম বলে নিলে সিঙ্গেল। পরের দুই বলে রান নিলেন না রাকিবুল। চতুর্থ বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে দারুণ এক বাউন্ডারি। পরের বলে ডিফেন্ড করে শেষ বলে রাকিবুল নিলেন ১ রান।
পরের ওভারে ফের স্ট্রাইকে রাকিবুল। আনলেকারের বলটি ডিপমিডউইকেটে ঠেলে দিয়েই এক রানের জন্য দৌড় দিলেন দুই ব্যাটসম্যান। সহজেই একটি রান আসলো। সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে ঢুকে পড়েন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়। সেটাও আবার ভারতের মতো দলকে হারিয়ে। এই উদযাপনে কি বাঁধ দেয়া যায়?













