সিলেটউইটনেস ডেস্ক:: সিলেট শহরতলি জালালাবাদ থানাধীন হায়দরপুর গ্রামে কাতার প্রবাসি ফাহিম হত্যাকারী আসামী ফাহিমকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে এসএমপি জালালাবাদ থানা। মৃত ফাহিম ও আসামি ফাহিম মূলতঃ তারা পরস্পরের বন্ধু ছিল। গত ৯ই এপ্রিল শবে বরাতের রাতে আসামি ফাহিম, আলী হাসান, তায়েফদ্বয় ছুরিকাঘাতে তাকে হত্যা করে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ মারফত জানা যায়, ২৯/০৬/২০২০খ্রিঃ তারিখ রাত ০২:২০ ঘটিকার সময় অফিসার ইনচার্জ অকিল উদ্দিন আহম্মদ এর নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জনাব মোঃ শাহ্ আলম পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এবং সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করিয়া এসএমপি, সিলেট এর শাহপরাণ (রহঃ) থানাধীন বোরহান উদ্দিন(রহঃ) এর মাজার এলাকা হইতে জালালাবাদ থানার মামলা নং-০৮ তাং-১১/০৪/২০২০ এর পলাতক আসামী ফাহিম আহমদ(২৪) পিতা-জগলু মিয়া, মাতা- বাবলী বেগম, সাং-হায়দরপুর, পোঃ-টুকের বাজার, থানা- জালালাবাদ, জেলা-সিলেট কে গ্রেফতার করা হয়।
আসামীকে পুলিশ হেফাজতে আনিয়া ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হইলে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। অতঃপর মামলার তদন্তকারী অফিসার জনাব মোঃ শাহ্ আলম, পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) আসামী ফাহিম আহমদ(২৪) কে সাথে নিয়া ঘটনায় ব্যবহৃত ছোরা সহ অপরাপর জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টাকালে আসামীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জালালাবাদ থানাধীন হায়দরপুর সাকিনস্থ জনৈক ছাদ উদ্দিনের বসত ঘরের উত্তর পাশের পরিত্যক্ত ঘর হইতে ঘটনায় ব্যবহৃত ০১টি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়।
আসামী ফাহিম আহমদ(২৪) কে বিধি মোতাবেক অদ্য ২৯/০৬/২০খ্রিঃ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করিলে আসামী স্বেচ্ছায় জবানবন্দি প্রদান করে এবং বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশক্রমে আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত ০৯/০৪/২০২০ইং তারিখ রাত অনুমান ১১.২৫ঘটিকার সময় আসামি ফাহিম, আলী হাসান, তায়েফদ্বয় মামলার ভিকটিম মৃত ফাহিম আহমদ(২৫) কে কৌশলে মিলাদ শরীফ হইতে ডাকিয়া নিয়া জালালাবাদ থানাধীন হায়দরপুর জামে-মসজিদের দক্ষিণ পাশে নির্ঝন স্থানে আসামী ফাহিম আহমদ(২৪) সহ অন্যান্য আসামীরা মিলে ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি ছোরা দ্বারা আঘাত করিয়া খুন করিয়া পালিয়ে যায়।
নিহত ফাহিমের পিতার নাম আব্দুল মানিক। সে কাতার প্রবাসী ছিল, ছুটিতে তখন দেশে অবস্থান করছিল।














