সিলেটউইটনেস ডেস্ক (জিয়াউল হক জিয়া):: হাওর বেষ্টিত জনপদ সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলা। বর্ষা মৌসুমে খেলার মাঠ বলতে দিরাই ডিগ্রি কলেজের পাশে অবস্থিত একমাত্র খেলার মাঠটি মাথা উঁচু করে থাকে। নামে স্টেডিয়াম হলেও বাস্তবে মাঠের করুন অবস্থা। ধরে নেয়া যায় পাড়া গাঁয়ের পতিত কোন ঘাসের জমি। যেখানে গোচারণ করা হয় সচরাচর। একটু বৃষ্টিতে থোকায় থোকায় পানি জমে কাদা হয়ে যায়।এমনকি কোথাও একটি টিনের ঘরেরও ব্যবস্থা নেই।
তবুও হাল না ছাড়া অদম্য সাহসী দিরাইয়ের ছেলে- মেয়েরা পড়ে থাকে মাঠে। অনেক উঁচু তাদের স্বপ্ন। ছেলেদের দেখভাল করছেন রমজান আর মেয়েদের রাকিব।
সম্প্রতি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা নারী ফুটবল দল এবং স্বপ্নচূড়া এফ সি দিরাই সুনামগঞ্জ দল একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচে এই মাঠে মুখোমুখি হয়। বৃষ্টি স্নাত কাদাযুক্ত মাঠে সেদিন যেন সত্যিকার অর্থে কাদার জয় হয়েছিল। তবে ম্যাচে দুটি গোলও করেছিল আমন্ত্রিত দল ময়মনসিংহের মেয়েরা। ম্যাচটি বেশ কয়েকটি মিডিয়া লাইভ সম্প্রচার করেছিল আর তাতেই যেন সংশ্লিষ্টদের নজর পড়ে এই মাঠের দিকে।
উপজেলার সংশ্লিষ্টদের যোগাযোগের ভিত্তিতে এবার আশার পথ দেখালেন প্রয়াত মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সহধর্মিণী, দিরাই শাল্লার এমপি ড. জয়া সেনগুপ্তা। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মাঠ সংস্কারের জন্য ১৫টন চাল অনুদান দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি মাঠটিকে মিনি স্টেডিয়াম করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা যায়।
দিরাই পৌরসভার প্যানেল মেয়র বিশ্বজিৎ রায় জানান, এই বরাদ্দ দিয়ে সকলের সম্মতিতে প্রাথমিকভাবে মাটি ভরাট করে সমতল করা হবে যাতে পানি জমে না যায়। আমরা আশা করছি শীঘ্রই বড় ধরণের প্রকল্প অনুমোদন হবে। মাননীয় সাংসদ এই ব্যাপারে যথেষ্ট আন্তরিক রয়েছেন।
উল্লেখ্য বর্তমান সরকার দেশে সবকটি উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন, ইতিমধ্যে প্রথম ধাপের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। জানাগেছে দিরাই মাঠটি দ্বিতীয় ধাপের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।














