জিয়াউল হক জিয়াঃ মাত্র মাসখানেক আগে সিলেটের ফুটবলে ঘটেছে ঐতিহাসিক ঘটনা। সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে একটি ম্যাচে ফলাফল পেতে প্রয়োজন পড়েছে ৩৬কিকের। সেই টুর্নামেন্টের আয়োজক ছিল সিলেট জেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি। এবার কুচাই ইছরাব আলী মাঠে দেখা হল ২০কিকের টাইব্রেকার। দলে দশজন করে শুটারের প্রয়োজন পড়েছে।
সিলেটে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে কিশোরদের নিয়ে একাডেমিক ফুটবল লিগ। স্পার্টান স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট এমকে গ্যালাকটিকো বয়সভিত্তিক (অনুর্ধ্ব-১৫) এই আয়োজন করেছে।
গতকাল ছিল লিগের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচ। মুখোমুখি হয়েছিল সুনামগঞ্জ জুনিয়র ফুটবল একাডেমি ও স্পন্দন ফুটবল একাডেমি হবিগঞ্জ দল। খেলাটি রেগুলেশন টাইমে ছিল গোল শূন্য অমিমাংসিত। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
টাইব্রেকারের প্রথম কিক মিস করা সুনামগঞ্জ জুনিয়র শেষ পর্যন্ত জিতেছে ৬-৫গোলের ব্যবধানে। প্রথম পাঁচটি কিকে ফলাফল ছিল ৪-৪গোলের। সাডেন ডেথে এসে ফলাফল পেতে প্রয়োজন পড়েছে আরো পাঁচটি করে কিকের। দুই দল মিলিয়ে বিশজনকে কিক নিতে হয়েছে। এর ফলে এই মাঠে ২০কিকের রেকর্ড হয়ে যায়।
খেলাটি পরিচালনা করেন রেফারি গিয়াস উদ্দিন, সালাউদ্দিন রাজু, শামিম আহমদ ও সাদিয়া রহমান। খেলার ধারাবিবরণীতে ছিলেন আব্দুল আহাদ, জিয়াউল হক জিয়া, ইকবাল কবির ও শামসুল হক শিপু।
১৭জানুয়ারি শুক্রবার লিগের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
সিলেটে বাছাই করা ১৬টি একাডেমিক দল এতে অংশ নেয়।১৬টি একাডেমিক দলগুলো ছিলঃ
গ্রুপ ‘এ’
মৌলভীবাজার ফুটবল একাডেমি, ঢাকা দক্ষিণ ফুটবল একাডেমি, বিয়ানীবাজারের জলঢুপ স্পোর্টস একাডেমি এ সিলেট সরকারি শিশু পরিবারের দল টিম এসএসপি-এসএনপি।
গ্রুপ ‘বি’
হবিগঞ্জের স্পন্দন ফুটবল একাডেমি, ফুটবল একাডেমি দিরাই, সাজু ফুটবল একাডেমি ফেঞ্চুগঞ্জ ও গোলাগঞ্জ উপজেলা ফুটবল একাডেমি।
গ্রুপ ‘সি’
বিশ্বনাথের লামাকাজি ফুটবল একাডেমি, ফুটবল একাডেমি ঈদগাহ বাজার, বিশ্বনাথ ক্রীড়া কল্যাণ ফেডারেশন ও এম কে গ্যালাকটিকো সিলেট স্পোর্টস একাডেমি।
গ্রুপ ‘ডি’
রাগীব রাবেয়া স্পোর্টস একাডেমি, গোলাপগঞ্জের আছিরগঞ্জ ফুটবল একাডেমি, সুনামগঞ্জ জুনিয়র














