জিয়াউল হক জিয়া (প্রতিবেদন) ::
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বিএফএফ এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এর আওতায় ফুটবল কোচিং ডিপ্লোমা ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স অর্জন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শারিরীক বিভাগের সহকারী পরিচালক শহিদুল ইসলাম জুয়েল।
সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার উত্তর চরহামুয়া গ্রামের ডিআইজি বাড়ি মরহুম হাজী আলতাফ হোসেনের সন্তান শহিদুল ইসলাম জুয়েল।
এক সময়ের কৃতি ফুটবলার, খেলেছেন বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে। ঢাকা আরামবাগ, বিআরটিসি, অগ্রণী ব্যাংক, ওয়ারি ক্লাব, ইয়ংম্যান্স ফকিরাপুল, চট্টগ্রাম কল্লোল সংঘ, চট্টগ্রাম বন্দর , সিলেট মোহামেডান দলের হয়ে খেলেছেন তিনি।
বিকেএসপি ফুটবল দল, অগ্রণী ব্যাংক লিঃ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দলের হয়ে অধিনায়কত্বও করা হয়েছে তাঁর।
শহিদুল ইসলাম জুয়েল সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছিলেন যুব চ্যাম্পিয়নশিপ সোহরাওয়ার্দী কাপে এবং নেপালে অনুষ্টিত গ্যালাক্সি যুব চ্যাম্পিয়নশিপে।
২০১৫ সনে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ফুটবল কোচ হিসেবে আত্মপ্রকাশ হয় তাঁর। একই বছর জার্মানি থেকে ক্লাব ম্যানেজার লাইসেন্স লাভ করেন। দুই বছর পর ২০১৭সনে নিজেকে নিয়ে যান ‘বি’ ক্যাটাগরিতে। আর ২০১৯ এ এসে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স প্রাপ্ত হন। গেলো বিপিএল ফুটবলে ঢাকা মোহামেডান ক্লাবের সহকারি কোচ ছিলেন তিনি। তাছাড়া ২০১৪ সনে স্বর্ণপদকসহ সেল এমপিইডি ডিগ্রি লাভ করেন ভারতের বেনারাস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
খেলোয়াড়ি জীবনের পাশাপাশি চালিয়ে গিয়েছেন লেখাপড়া। ২০০৯ সনে বিকেএসপি থেকে একবছর মেয়াদি ফুটবল কোচিং ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। ২০১৫ সনে জার্মানি লাইপজিগ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শারিরীক শিক্ষা বিষয়ে নেন উচ্চ শিক্ষা।
অদম্য সাহসী, অধ্যাবসায়ী শহিদুল ইসলাম জুয়েলের জীবনে নানা বাঁক তৈরি হলেও ছাড়তে পারেননি ফুটবল এবং ফুটবলের প্রতি ভালবাসা। দেশের ফুটবলের জন্য একটা কিছু করবেন এই প্রত্যয়েই তাঁর এগিয়ে চলা।
বর্তমানে তিনি ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের উপর পিএইচডি গবেষণা চালাচ্ছেন।
ইতিমধ্যে ফুটবল নিয়ে তাঁর গবেষণা অর্থোপেডিকস এবং স্পোর্টস মেডিসিন জার্নালের উপর নিবন্ধটি আমেরিকান লুপাইন পাবলিশার্স প্রকাশ করেছে যা ক্রিড়া বিশ্বে যথেষ্ট প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশে গাজী টিভি এই নিয়ে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে।














